বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০৯:০৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
রাজপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের উদ্যেগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ হাবিপ্রবি ক্যাম্পাসের সামনে শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে মাক্স বিতরনে হাবিপ্রবি ছাত্রলীগ ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন,সভাপতি নয়ন,  সাধারন সম্পাদক রাজু কুমিল্লা-৫ আসনে আলোচনার শীর্ষে এহতেশামুল হাসান ভূঁইয়া রুমি লালমনিরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্দ্যোগে হাফেজি মাদ্রাসায় ইফতার বিতরণ  নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আইম্যাক ও আইপ্যাড প্রো আনছে অ্যাপল সর্বাত্মক লকডাউনে, সর্বহারা দিনমজুররা তরুণীকে হত্যার পর ড্রামে ভরে ডোবায় ফেলেন কনস্টেবল নামাজ, রোজা ও কোরআন পড়ার সুযোগ চান মামুনুল হক

নীলফামারীতে ৬৩৭টি পরিবারের কাছে পাকা ঘর হস্তান্তর

মুজিববর্ষে নীলফামারীর ৬৩৭টি পরিবারের কাছ পাকা ঘর হস্তান্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২৩ জানুয়ারি) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘর বিতরণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার নিজগ্রাম থেকে সরাসরি সংযুক্ত হয়ে সেখানকার উপকারভোগীদের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রী তার পাকা ঘর হস্তান্তর করেন।

এসময় সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিম আহমেদ এর সঞ্চালনায় সেখানে উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আব্দুল ওয়াহাব ভুঞা, নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান চৌধুরী, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান বিপিএম পিপিএম, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য রাবেয়া আলিম, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নীলফামারী পৌরসভার মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট মমতাজুল হক সহ আরো অনেকে। এছাড়া জেলার অন্যান্য উপজেলাগুলোতে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আনষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পাকা ঘর হস্তান্তর করা হয়।

মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে এসব পাকা ঘর ও জমি পেয়ে উপকারভোগীদের যেনো খুশির শেষ নেই। তাদের সাথে কথা বললে তারা জানান, জীবনের এই দীর্ঘ সময়েও তারা এক টুকরো জমি বা একটি বাড়ি করা তো দূরের কথা দৈনন্দিন শ্রম বিক্রি করে সেই অর্থে কোন রকমে সংসার চালিয়ে খেয়ে বেঁচে আছেন। যেখানে কোন রকমে বেঁচে থাকার স্বপ্ন নিয়ে থাকতেন, সেখানে সরকার আমাদের নামে জমি দলিল দিয়ে সেখানে পাকা বাড়ি নির্মাণ করে দিয়েছেন; যা এখনো আমাদের স্বপ্নের মতোই মনে হয়।

ঘর পেয়ে এমনই অনুভুতি প্রকাশ করেছে নীলফামারী সদর উপজেলার শাহানাজ পারভিন বলেন,“আমি স্বপ্নেও দেখতে পারি নি যে আমি এই ভাঙ্গা বাড়ী ঘর দুয়ার ছাড়ী পাকা ঘর পাবো। সারাদিন মাঠে ঘাটে কাজ করে আসি ছোয়া ছোট নিয়া পাকা ঘরে থাকবো এটাই আমার বড় শান্তি। এইজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে হাজার সালাম হাজার দোয়া”

সদর উপজেলা কুন্দপুকুর ইউনিয়নের দিনমজুর মোঃ শুকুরু বলেন, আগে সরকারি খাস জমিতে খড়ের চালার ঘরে থাকতাম। নিজের ঠিকানা ছিল না। শেখের বেটি আমাদের ঘর ও জমি দিয়েছেন, শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ। হাসিনা অনেকদিন বাচুক।

সদর উপজেলার রামনগরের ইদ্দ্রিস আলী বলেন, বউ ছোয়া নিয়ে বাঁশের কঞ্চির বেড়ার ঝুপড়িতে থাকি। দিন মজুর খেটে কোনো রকমে জীবন চলছে। নিজের একটা ঘর হবে কোনোদিন ভাবিনি। প্রধানমন্ত্রীর জন্য অনেক দোয়া করি। তিনি আমাদের মাথা গোজার ঠাই দিয়েছেন।

উল্লেখ্য প্রধানমন্ত্রীর আশ্রায়ন-২ প্রকল্পের আওতায় ২০২০-২০২১ অর্থবছরে জেলার যেসব স্থানে সরকারের খাস জমি রয়েছে সেসকল জমিতে সেমিপাকা বসত ঘর তৈরী করা হয়েছে। প্রকল্পের প্রথম ধাপে জেলার সদর উপজেলায় ৯৯টি, সৈয়দপুর উপজেলায় ৩৪টি, জলঢাকা উপজেলা ১৪১টি, ডোমার উপজেলায় ৩৮টি, ডিমলা উপজেলায় ১৮৫টি এবং কিশোরীগঞ্জ উপজেলায় ১৪০টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। নির্মনাকৃত ৬৩৭ টি পরিবারকে এসব ঘর আজ হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।