বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
রাজপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের উদ্যেগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ হাবিপ্রবি ক্যাম্পাসের সামনে শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে মাক্স বিতরনে হাবিপ্রবি ছাত্রলীগ ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন,সভাপতি নয়ন,  সাধারন সম্পাদক রাজু কুমিল্লা-৫ আসনে আলোচনার শীর্ষে এহতেশামুল হাসান ভূঁইয়া রুমি লালমনিরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্দ্যোগে হাফেজি মাদ্রাসায় ইফতার বিতরণ  নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আইম্যাক ও আইপ্যাড প্রো আনছে অ্যাপল সর্বাত্মক লকডাউনে, সর্বহারা দিনমজুররা তরুণীকে হত্যার পর ড্রামে ভরে ডোবায় ফেলেন কনস্টেবল নামাজ, রোজা ও কোরআন পড়ার সুযোগ চান মামুনুল হক

ভূরুঙ্গামারীতে দিনে ২০ মিনিটও মিলছে না বিদ্যুৎ : চরম ভোগান্তিতে বোরো চাষীরা

 

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় থাকা গ্রাহকরা সারাদিনে ২০ মিনিটও বিদ্যুৎ পাচ্ছে না। আবার যে ২০ মিনিট বিদ্যুৎ পাচ্ছে তাও আবার লো-ভোল্টেজ। সেই ভোল্টেজে সেচ পাম্প চলা তো দূরের কথা সাধারণ বাল্বই জ্বলতে চায় না।

এ ঘটনা টানা ২ মাস ধরে চলছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। এ অবস্থায় চরম বিপাকে পড়েছে বোরো চাষী ও সাধারণ ব্যবসায়ীরা। বোরো চাষের বিজ রোপণের সময় পাড় হয়ে গেলেও বিদ্যৃতের এই বিপর্যয়ের কারণে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে সাধারণ কৃষক।

অনেকে বাধ্য হয়ে স্যালো চালিত মেশিন দিয়ে আবাদ শুরু করলেও তা অনেক ব্যায়বহুল হওয়ায় বেশিরভাগ কৃষক তা শুরু করতে পারেনি। এ অবস্থা পুরো উত্তর ধরলা থেকে শুরু করে ভূরুঙ্গামারী পযর্ন্ত।

অভিযোগ রয়েছে, তবে সবচেয়ে বেশি বৈষম্য করা হচ্ছে নাগেশ্বরী পল্লী বিদ্যুতের আওতায় থাকা ভিতরবন্দ লাইনে। বিদ্যুতের এই করুন পরিণতিতে বেড়ে গেছে চুরিও। গত কয়েকদিনে বেশ কয়েকটি দোকান চুরি গেছে।

ভিতরবন্দ ইনিয়নের কৃষক আব্দুল জলিল বলেন, এক এক করে ৬ দিন রাত জেগে ৩ বিধা জমি ভেজানোর চেষ্টা করেছি কিন্তু কোনভাবেই না পেয়ে স্যালোতে আলাদা ভাড়া দিয়ে তেল কিনে তারপর পনি নিয়ে জমিতে চারা রোপণ করেছি। তিনি আরও বলেন এত ব্যয় হলে চাষাবাদ করা সম্ভব নয়।

ভিতরবন্দ লাইনের ভিতরবন্দ বাজারের ব্যাবসায়ী আলম মিয়া বেশ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সারাদিন তো বিদ্যুৎ থাকেই না। রাতে একটু আসলেও কিছুক্ষণ থেকেই চলে যায়। আমরা কীভাবে ব্যবসা করবো।

একই লাইনের ডাঃ রিপন জানান, বিদ্যুৎ পাওয়ার ১৯ বছরে এরকম অবস্থা কোনদিন দেখিনি। বিদ্যুতের এ অবস্থা দেখে মনে হয় আমাদের এ অঞ্চলে যেন এখনও বিদ্যুতই আসেনি। কুমরপুর বাজারের ব্যাবসায়ী তপন বলেন, সকালে দোকান খুলি রাত ১০ টায় বন্ধ করি গত ৪/৫ দিন থেকে সকাল থেকে রাত একসময়ও বিদ্যুৎ পাইনা।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নাগেশ্বরী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম আতিকুর রহমান বলেন, পাটেশ্বরী লাইনের আওতায় থাকা কুমরপুর সাব স্টেশনের মেশিন নষ্ট হওয়ায় এ সমস্যা হচ্ছে। তার কাছে প্রশ্ন ছিল একটা মেশিন ঠিক করতে কি ২ মাসের বেশি সময় লাগে? প্রশ্নের উত্তরে তিনি ক্ষেপে গিয়ে বলেন, আরও সময় লাগবে অপেক্ষা করতে হবে।

এ ব্যাপারে কথা হলে কুড়িগ্রাম লালমনির হাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) স্বদেশ কুমার ঘোষ বলেন, কুমরপুর সাব স্টেশনের নষ্ট মেশিনটির ব্যাপারে দ্রæত সমাধান করা হবে। তবে সারাদিনে বিভিন্ন লাইনে ২০ মিনিটও কেনো বিদ্যুৎ দেয়া হচ্ছে না সেটা খতিয়ে দেখা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।