শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১, ০৯:১৪ অপরাহ্ন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডব: ডিসি-এসপিকে প্রত্যাহার দাবি

হেফাজতি তাণ্ডব চলাকালে আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে অবিলম্বে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের প্রত্যাহার দাবি জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রেসক্লাবের নেতারা।

ওই ঘটনার সময় কেন আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছেন প্রশ্ন তুলে তা খতিয়ে দেখার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান তারা।
মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশে এ আহ্বান জানানো হয়।

রোববার (২৮ মার্চ) হেফাজতে ইসলামের হরতাল চলাকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব ভাঙচুর ও প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজউদ্দিন জামিসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিকদের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে ওই বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রেসক্লাবে হামলা পরিকল্পিত। সাংবাদিক সমাজকে স্তব্ধ করে দিতেই হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীরা প্রেসক্লাবে হামলা ভাঙচুর করছে। সেইসঙ্গে প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজউদ্দিন জামিকে হত্যার উদ্দেশে তারা মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এসময় বেশ কয়েকজন সাংবাদিককে নাজেহাল করে তাদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।
বক্তারা জেলায় অনির্দিষ্টকালের জন্য হেফাজতে ইসলামসহ ধর্মীয় সংগঠনগুলোর সংবাদ বর্জনের ঘোষণা দেন। সেইসঙ্গে রোববার হরতাল চলাকালে জেলায় হেফাজতের তাণ্ডবে প্রায় অর্ধশতাধিক সরকারি, বেসরকারি ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন।
প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি পিযুষ কান্তি আচার্যের সভাপতিত্বে ও জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের আহবায়ক মনির হোসেনের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন, সাবেক সভাপতি খ.আ.ম রশিদুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মনজুরুল আলম, সাবেক সভাপতি মো. আরজু, সৈয়দ মিজানুর রেজা, সাংবাদিক জয়দুল হোসেন প্রমুখ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।